আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ফ্লাইট পরিচালনা কার্যক্রমে বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে যাতায়াতকারী বিমান চলাচল ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরগুলোর পরিচালনাগত নানা সীমাবদ্ধতার কারণে হঠাৎ করেই এই ফ্লাইট সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। বিমান চলাচলে এমন আকস্মিক কড়াকড়ির ফলে আন্তর্জাতিক আকাশপথের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে।
বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার সাকিব চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে এই পরিস্থিতির কারণে এখন পর্যন্ত মোট একাত্তরটি ফ্লাইট নানাভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি পরিচালিত ফ্লাইট রয়েছে চুরানব্বইটি এবং বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে আসা ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে সাতাত্তরটি। এই বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে না পারায় শিডিউল বিপর্যয় চরমে পৌঁছেছে।
এই ফ্লাইট বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় সব মিলিয়ে তেইশ হাজার সাতাশি জন যাত্রী মারাত্মক ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। সরাসরি প্রভাবিত হওয়া ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পঁয়তাল্লিশটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দশটি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একুশটি এবং রিয়াদ এয়ারের আঠারোটি বিমান। এ ছাড়া বিভিন্ন বিদেশি এয়ারলাইনসের সরাসরি ফ্লাইটও এই বিঘ্নের আওতায় পড়েছে।
অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের ত্রিশটি ফ্লাইটের ওপর। এ ছাড়া এমিরেটসের চোদ্দটি, কাতার এয়ারওয়েজের নয়টি, ফ্লাইদুবাইয়ের আটটি, এয়ার ইন্ডিয়ার আটটি, সালামএয়ারের সাতটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট এই জটিলতার শিকার হয়েছে। সৌদিগামী এবং সৌদি আরব হয়ে অন্য গন্তব্যে যাওয়া যাত্রীরা এই অচলাবস্থার কারণে বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষাসহ নানা বিড়ম্বনার মুখোমুখি হচ্ছেন।



