বাড়িবাংলাদেশপ্রতিষ্ঠার এক বছরে ৩০ জেলায় এইচআরডিএস-এর কার্যক্রম বিস্তৃত

প্রতিষ্ঠার এক বছরে ৩০ জেলায় এইচআরডিএস-এর কার্যক্রম বিস্তৃত

জাতীয় ডেস্ক: তরুণ সমাজকে মানবাধিকার রক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে আত্মপ্রকাশ করা মানবাধিকারভিত্তিক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছরের মাথায় দেশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশে নিজেদের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্ত করেছে। তরুণদের অধিকার সচেতন করে তোলা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার মানসিকতা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটি এই অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের ত্রিশটি জেলা এবং বিশটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের কার্যক্রম সফলভাবে বিস্তৃত করেছে। মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে সঠিক নেতৃত্বদানে উদ্বুদ্ধ করতে সংগঠনটির এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তারা দেশের তরুণদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণে সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হয়। দিনটি উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে সেখানে এক আনন্দঘন র‍্যালি এবং কেক কাটার বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা কলেজের বিভিন্ন স্তর থেকে আসা তরুণ অধিকারকর্মীরা এই আনন্দানুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। নানা বয়সী তরুণ ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে, যা সংগঠনটির আগামী দিনের পথচলাকে আরও বেশি গতিশীল ও প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে উপস্থিত সবাই আশা প্রকাশ করেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক সিফাত উল্লাহ উপস্থিত থেকে পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এছাড়া তরুণ মানবাধিকারকর্মী ইজাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে তরুণদের এই সংগঠনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে তাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে সংগঠনের নেতারা আগামী দিনে তাদের কার্যক্রমকে আরও সুদূরপ্রসারী ও দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, দেশে একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের কোনো বিকল্প নেই এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনটিকে সামনে রেখে তারা দেশজুড়ে মানবাধিকার আন্দোলনকে আরও বেগবান করার ঘোষণা দেন, যাতে সমাজের প্রতিটি কোণায় অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর জোরালোভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments