ভ্রমণ ডেস্ক: বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক আগামী ২০২৭ সালে ভ্রমণের জন্য বিশ্বের সেরা ২৫টি আকর্ষণীয় গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার, চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কিংবা রোমাঞ্চকর অভিযানের হাতছানি—সব মিলিয়ে এই স্থানগুলো বিশ্বজুড়ে ভ্রমণপিপাসুদের নজর কেড়েছে। বৈচিত্র্যময় এসব গন্তব্যের প্রতিটি পর্যটকদের জন্য আলাদা এবং নতুন এক অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে হাজির হয়েছে।
এই দীর্ঘ তালিকার প্রথম সারিতে রয়েছে নরওয়ের ভেস্টল্যান্ড, যেখানে ইউরোপের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে ফিয়র্ড অভিযান ও সুস্থতাকেন্দ্রিক ভ্রমণের চমৎকার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ার পেনাং, জাপানের নিগাতা, চীনের চেংদু এবং ভারতের জয়পুর এই তালিকায় বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। প্রাচীন প্রাসাদ থেকে শুরু করে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে থাকা রন্ধনশৈলী ও ঐতিহ্য এই এশীয় শহরগুলোকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
আমেরিকা মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি ইউরোপ ও আফ্রিকার একাধিক ঐতিহাসিক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থানও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মিসরের ঐতিহাসিক লুক্সর শহর থেকে শুরু করে ব্রাজিলের সালভাদর এবং আফ্রিকার মালাবির মতো চমৎকার সব গন্তব্য পর্যটকদের রোমাঞ্চ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য দেবে। বিশেষ করে, কম পরিচিত বা নতুনভাবে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হওয়া স্থানগুলোতে ভিড় এড়িয়ে নিরিবিলিতে ঘুরে বেড়ানোর অপূর্ব সুযোগ রয়েছে।
তালিকার শেষভাগে রয়েছে মেক্সিকোর মায়া কা’আন, পোল্যান্ডের ত্রিসিটি এবং পেরুর কুয়েলাপের মতো চমৎকার কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক ও উপকূলীয় অঞ্চল। উত্তরের মাচু পিচু খ্যাত কুয়েলাপ কিংবা বাল্টিক সাগরের তীরের ত্রিসিটি ভ্রমণপিপাসুদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকার মতো রোমাঞ্চকর ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের এই তালিকাটি বিশ্ব ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য একটি দারুণ সহায়ক নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে।



