‘কবি ফাহমিদা ইয়াসমিনের কবিতা ,উপন্যাস,ছড়া দেখে এলাম পড়ে এলাম শত পাতা ছুঁয়ে’

0
45


আবু সুফিয়ান চৌধুরী ।

কবি ফাহমিদা ইয়াসমিন মৌলভীবাজার জেলার বড়কাপন গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ৩১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আলহাজ্ব মোঃ-ইলাছ মিয়া
মা – ফজিলাতুন্নেছা চৌধুরী। লন্ডন প্রবাসি কবি ফাহমিদা ইযাসমিন এঁর স্বামী প্রকৌশলী মো. ফয়জুল ইসলাম ও আদরের দুই সন্তান ফারহাত ,ফারহান। কবি ফাহমিদা ইয়াসমিন মৌলবীবাজার সরকারী মহিলা কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
কবি ফাহমিদা ইয়াসমিন আসলেই একজন প্রেম ও প্রকৃতির কবি ।বিলেতের এই ব্যস্ততম জীবনের মাঝে থেকেও সাহিত্যের ও সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় গভীর মনোনিবেশ করে যাচ্ছেন ,নিয়মিত লিখনীর মাধ্যমে ভাবের প্রকাশ করছেন,প্রকাশ করছেন তার চিন্তা চেতনার । দেশ বিদেশের দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকা, অনলাইন মিডিয়া ও বিভিন্ন সংকলনে অনবরত লিখে যাচ্ছেন কবিতা,গল্প, ছড়া।
কবি ফাহমিদা ইয়াসমিন
কাব্যগ্রন্থ ও একটি উপন্যাস গ্রন্থ ‘স্বপ্নচারী মন’; ‘নীলিমার প্রেম’; ‘শংকা সময়ের নিষিদ্ধ ধ্বনি’; ‘ডায়েরির শেষ পাতা’ (উপন্যাস); ‘ফুল ফুটে পাখি উড়ে’; ‘বিদ্রোহী বিক্ষোভ’।
তার “স্বপ্নচারী মন “র এক অপূর্ব কীর্তি ফুটে উঠেছে!মানুষ স্বপ্ন দেখতে পারে কিন্তু জীবন সংগ্রামের মধ্যে ও স্বপ্ন কে সীমিত রেখে গভীর স্বপ্নে ডুবেছেন,যেখানে রয়েছে পুরো পৃথিবীর মানব প্রেমের সুখ দুঃখের অপূর্ব কাহিনী ।তেমনি “নীলিমার প্রেম “ও একই ভাবে সকল চাওয়া পাওয়া কে স্বপ্ন ভেবে গভীর প্রেমের বহিঃপ্রকাশ,যেখানে স্বপ্নের শেষ নেই!স্বপ্নের শেষ অংশটুকু যেনো অশ্রু নদীতে হেসে হেসে চলে যাওয়া এক প্রেমের সমাধী ।
“শংকা সময়ের নিষিদ্ধ ধবনি “ও এক অনন্য জীবনের অভিজ্ঞতা এবং বাস্তবতার বহিঃপ্রকাশ ।”ডাইরীর শেষ পাতা”যেনো একজন কবির হৃদয় দিয়ে গাঁথা জীবন সুখ দুঃখের অপূর্ব কাহিনী,যে কাহিনী মাঝেমধ্যে হৃদয় নদীর বাঁকে এসে হাজির হয় এবং ঢেউয়ের মতো করে জাগিয়ে তোলে ।
“ফুল ফুটে পাখি উড়ে “এক অনন্য সংকলন!
“বিদ্রোহী বিক্ষোভ”এক ব্যতিক্রমী প্রেম ও প্রকৃতি নিয়ে কাব্যগ্রন্থ!প্রতি টি কবিতায় ভেসে উঠেছে প্রেম ও প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন রূপে “ভাব সাগর “যেখানে চিন্তা চেতনা মানব প্রেমকে স্বর্গীয় সুবাতাসের মতো বয়ে নিয়ে গেছে আর প্রকৃতির শোভা যেনো পুরো পৃথিবী কে ভালবাসার জগতে এক অপরূপ রুপ সাজিয়েছে ।
আমি কবির প্রতিটি লিখনী খুবই যত্ন করে পড়েছি,মুগ্ধ হয়েছি!আবেগ এবং গভীর চিন্তার মধ্য দিয়ে সাহিত্য যেনো মহা সাগরের ঢেউয়ের মতো হৃদয়ে ধাক্কা দিয়েছে ।কবি’র সাথে পরিচয় হয়েছিল টিকই কবিতার পথ ধরে!আমার ক্ষুদ্র লিখনী যেভাবে তার কবিতার সাথে মিশে গিয়েছিল,টিক তেমনি তার প্রতি টি কবিতার সুর যেনো আমাকে তার প্রকাশিত প্রতি টি উপন্যাস বা কাব্য গ্রন্থ দেখার আগ্রহ করে দিলো ।পড়লাম,বুঝলাম!আলোচনার মধ্য দিয়ে ই তার লিখনী নিয়ে কিছু লিখবো বলে মনকে জাগিয়ে তুললাম ।দীর্ঘ দিন বিলেতের মাটিতে থেকে কবি ফাহমিদা ইয়াসমিন না পেয়েছেন বাংলার আলো বাতাস,নদী নালা অথবা সবুজের সমারোহ!তারপর ও তার বাংলা সাহিত্য,সংস্কৃতি প্রীতি তাকে নিয়ে গেছে বাংলা সাহিত্যেরা এক ব্যতিক্রমী সাহিত্য দরবারে!এ যেনো সাহিত্যের দরবার হল বা সাহিত্য ভান্ডার ।তার লিখনী যেনো আরো সমৃদ্ধ হয়,সেই আশীর্বাদ রইলো ।প্রত্যাশা রাখি বিলেতের টেমস নদী হয়ে প্রতি টি শব্দ যেনো বাংলার পদ্মা,মেঘনা,যমুনা হয়ে সুরমা নদীর তীরে গান গেয়ে যায় ।আর গান গায় কবিতার সুরে সুরে বাংলা সাহিত্যের আপন মহিমায়!!কবির দীর্ঘায়ু কামনা করি,প্রতি দিন কিছু না কিছু লিখো কবি!
:,লন্ডন ৬ই অক্টোবর ২০১৯

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here