দেখলাম যা দুই নয়নে -মিজানুর রহমান

0
147


মিজানুর রহমান মিজান;–
“আমরা বর্তমানকে স্বীকার মাত্র না করিয়া পূর্ব পুরুষের দোহাই মানলে তো পূর্ব পুরুষ সাড়া দিবেন না। আমাদের পূর্ব পুরুষ আমাদের দোহাই পাড়িয়া বলিতেছেন , “ বর্তমানের সহিত সন্ধি করিয়া আমাদের কীর্তিকে রক্ষা করো , তাহার প্রতি অন্ধ হইয়া ইহাকে সমুলে ধ্বংস হইতে দিয়ো না। আমাদের ভাব সুত্রটিকে রক্ষা করিয়া সচেতন ভাবে এক কালের সহিত আর এক কালকে মিলাইয়া লও , নহিলে সুত্র আপনি ছিন্ন হইয়া যাইবে।” কবি গুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের এ উক্তির সহিত একাত্ততা পোষণ ও স্মরণ করে বলতে হয়। “ বর্তমান মুহুর্তকে উপভোগ করো এবং অতীতের প্রতি কৃতজ্ঞতা পোষণ করো ” মার্শালের চমৎকার এ উক্তিটিকে। অতীতকে ভুলে গেলে ও আমাদের হবে না।
কারন অতীত অনেক ক্ষেত্রে আমাদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় অনেক কিছু। যা থেকে আমাদের শিক্ষাগ্রহণ অতীব জরুরী। অনেকে বিভিন্ন সময় বলে থাকেন অতীত থেকে শিক্ষা নিতে। তবে কথাটি আমাদের মুখের কথার মধ্যেই সীমিত। আমরা চর্চা , লালন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা বেমালুম ভুলে যাই। ফলে আমরা “ কাঁদছি , কাঁদবো ”।
আমাদের যাপিত জীবন যাত্রায় অনেক পরিবর্তন হচেছ , হবে তা সত্য। প্রকৃতিতে ও প্রতি নিয়ত পরিবর্তন সাধিত হচেছ। পরিবর্তন ব্যতীত পৃথিবীতে কিছুই স্থায়িত্ব লাভ করতে পারে না বলে কথা রয়েছে। এজন্য থারু বলেছেন , বস্তুর পরিবর্তন হয় না , আমরাই পরিবর্তিত হই। পরিবর্তনের আবহাওয়ায় আবর্তিত হয়ে আমরা ভুলে যাচিছ , আমাদের শিকড়ের কথা , ইসলামী মুল্যবোধের কথা। ইসলাম পৃথিবীর শ্রেষ্ট ধর্ম। পবিত্র কোরানে রয়েছে একজন মানুষের পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থার কথা। আমরা শুধু তার অনুসরণ করলেই হাতে নাতে সুফল প্রাপ্তি সহজ সাধ্য। তা না করে আমরা ধাবিত হচিছ আধুনিক থেকে অত্যাধুনিকতার পথে। যার পরিনাম ফল ঐশী আমাদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে। আমরা সততা , সত্য বলা , নৈতিকতাবোধ , ভ্রাতৃত্ব , সাম্য , প্রেম-প্রীতি , ইত্যাদি থেকে অনেক দুরের বাসিন্দা রুপে বসবাস করতে হয়ে পড়েছি অভ্য¯Í। সকল ক্ষেত্রে পুরাতনকে বর্জন করা নয় , হতে পারে না। তাই এখানে অতীতের কিছু দেখা ঘটনার , বাস্তবতার উদাহরণ টানতে চাই।
আগেকার দিনে গোত্র , গ্রাম বা এলাকা বলুন প্রতিটি ক্ষে্ত্রে লক্ষ করলে দেখা যেত মুরবিবয়ানদের সম্মান প্রদর্শন করতে। যেমন আমরা দেখেছি তরুণ সম্প্রদায় মুরবিবয়ানদের সম্মুখ¯Í হলেই যথেষ্ট পরিমিতবোধ সম্পন্ন সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে। তবে আজ যে নেই তা বলছি না। তবে সংখ্যার দিক দিয়ে বিবেচনা করলে অনেকটা কম বলে স্বীকার করবেন অবশ্যই। সত্তর দশকে আমি দেখেছি একজন হাই স্কুলের শিÿক বাইসাইকেল চড়ে স্কুলে যেতেন। কিন্তু সম্মুখে কোন মুরবিবয়ান বা বয়স্ক লোক দেখলেই তিনি সাইকেল থেকে নেমে দু’হাত দিয়ে সাইকেল টেলে নিতে। একদিন আমি ঐ শিক্ষককে জিজ্ঞাস করলাম আপনি কেন সাইকেল থেকে নেমে হাতে টেলে পার হলেন। তিনির জবাব ছিল , ” বয়স্কদের সম্মান প্রদর্শনের নিমিত্তে আমার এ কাজ ”। যাপিত জীবন যাত্রায় প্রতিটি কাজে তিনিকে দেখেছি এ সম¯Í নিয়ম মেনে চলতে। বর্তমানে তিনি অবসর জীবন যাপন করছেন। তবে অল্প ক’দিন পূর্বে আমি এক জায়গায় দাড়িয়ে আছি। আমা হতে এক শত গজের ব্যবধানে ঐ শিক্ষক গ্রামের একটি রাস্তায় দাড়িয়ে আছেন। তিনি অবশ্যই রাস্তার পার্শ্ব দিয়ে দাড়ানো। এমন সময় এক হাই স্কুল পড়–য়া ছেলে এসেছে সাইকেল চড়ে এবং তিনির পিছনে এসে সাইকেলের কলিং বেল বাজাচেছ ক্রিং ক্রিং শব্দে। শিক্ষক পিছন ফিরে তাকালেন এবং রাস্তা হতে নেমে তাকে পথ ছেড়ে দিলেন। অত:পর আসলেন আমার কাছে। বললেন , দেখলে আমি রাস্তার পার্শ্বে দাড়ানো অবস্থায় থেকে ও তাকে পথ দিতে হচেছ। অথচ তার যাবার রাস্তা বিস্তার রয়েছে। কি হল এ সমাজ ব্যবস্থায় তা দর্শনে হতবাক হওয়া ছাড়া করার বা বলার কিছুই আমি খুজে পাচিছ না। তিনির এই যে হতাশা , ব্যাকুলতা এ কি অযথা ?
মুরব্বিয়ানরা বা বয়স্করা গ্রামে , এলাকায় বসে বিচার কার্য পরিচালনা করতেন। তরুণ সম্প্রদায় বেশ কিছু দুরে বসে তা করতেন প্রত্যক্ষ। ভয়ে বা সম্মান প্রদর্শনার্থে কাছে যেতেন না। আবার মুরব্বিয়ানরা ও ছোটদের আদর , স্নেহে কাছে টেনে নিতেন। আজ যাদের দেখে বা অনুসরণ করে যুব সম্প্রদায় শিখবে বা অনুসরণ করবে তাদের মধ্যে ও নেই সেই আদর্শ। একটা নেই নেই ভাব। কি যেন হারিয়ে আমরা ঘুরছি অনবরত। সুতরাং একজন মুরবিবয়ানের সম্মুখে সিগারেট টানার কথা কি কল্পনায় আসে ? অশ্রদ্ধা তো অনেক দুরের কথা। গ্রামের কোন ছেলেকে মন্দ কাজে দেখলে বয়স্করা সাবধান করে দিতেন , বারণ বা বিরত থাকতে উপদেশ প্রদান করতেন। যুবকরা শুনত , মান্য করত বয়স্কের এ অমোঘ বাণী। তার অভিভাবক শুনলে ও যুবককে বলে দিতেন , সতর্ক করে দিতেন মুরবিবয়ানদের মান্যতার কথা। এতে করে যুব সম্প্রদায় ও অনুপ্রাণিত হত , উৎসাহিত হত এ জাতীয় কর্মকান্ডের প্রতি। আজ মুরবিবয়ানরা একত্রিত হন না , কেউ কাউকে বাঁধা প্রদান করতে বা সে সময়ই নেই বলে অনেক ক্ষেত্রে প্রতীয়মান হয়। আজ অনেক ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয় অনেক কিছু। যেমন আমি একদিন বসে আছি দোকানে। দু’জন লোক এসে আমাকে অনুরোধ জানাল স্যার ঐ দেখুন একটি মাদ্রাসা পডুয়া ছাত্র বই লুকিয়ে রেখে পাঞ্জাবী খুলে সার্ট পরে বাজারে আডডা দিচেছ। অর্থ্যাৎ মাদ্রাসা পরিত্যাগের বিলক্ষণ নমুনা। যাক তাদের আমি বিদায় দিয়ে ছেলেটিকে ডেকে আনলাম আমার কাছে। পরিচিতি অবগত হয়ে অত্যন্ত অনুনয় বিনয় করে তাকে বুঝালাম যে , তোমার পিতামাতা অনেক আশা করে তোমাকে মাদ্রাসায় পাঠিয়েছেন। অনেক কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে তোমার সুবিধা অসুবিধা দুর করার , যোগান দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচেছন। সুতরাং এভাবে মাদ্রাসা ফাঁকি দেয়া কোন অবক্ষয় সঠিক নয়। ভবিষ্যৎ উজ্জল করার এখনই উপযুক্ত সময়। আজ বেলা অধিক হয়ে গেছে। তাই আজকের কথা বাদ দিয়ে আমার সাথে ওয়াদা কর কাল থেকে নিয়মিত মাদ্রাসায় যাবে। সে ওয়াদা করে আমার সাথে। এক্ষেত্রে আমি কখন ও তিরস্কার করিনি। বরং অনুরোধ ও উপদেশ দিয়েই ক্ষান্ত হই।
যাক এ কথাটি আমি ভুলেই গেছি। ঘন্টা চারেকের ব্যবধানে ঐ ছেলে আরো একটি ছেলেকে নিয়ে আমার কাছে উপস্থিত হয়ে ভিন্ন ছেলে জিঙ্গেস করে আমি ঐ ছেলেকে কি বলেছি ? আমি কি জানি না ঐ ছেলে তার আত্মীয় ? আমার রাগ চরমে পৌছে গেছে। জবাব দিলাম তুমি ছেলেকে জিঙ্গেস কর আমি কি বলেছি ? কোন মন্দ কথা বললে বল। তখন তার জবাব ছিল , আপনি জেনে রাখুন এ ছেলে আমার আত্মীয় ? আমি আরেকটু রাগান্বিত হয়ে বললাম , তোমার আত্মীয় গোল্লায় যাক আমার কিছুই আসে যায় না। তবে আমি ওকে মন্দ কথা বলি নাই। ওরা চলে গেল। আমি আমার কাজে আত্মনিবেদিত। ঘন্টা খানেকের ব্যবধানে আবার এসে হাজির। আমি আসতে দেখে মনে মনে প্রস্তুতি নিয়ে বসে র’লাম। এবার কোন অবস্থাতেই ছাড় দেব না। প্রয়োজনে যুদ্ধ। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে এবার তার বক্তব্য হল। চাচা আপনি আমাদেরকে শাসন করবেন নাতো কে করবে ? আমার ভুল হয়ে গেছে। ক্ষমা করুন। এবার তাকে ক’টি প্রশ্ন করলাম একে একে । যা হল পূর্বে আসলে আমাকে শাসন করতে । কিন্তু এবার কেন বলছ আমি শাসন করতে। সে জবাব দিয়েছিল , স্যার আমি পূর্বে আপনার সম্পর্কে অবহিত ছিলাম না। এখন একজন মুরবিবয়ানের কাছ থেকে আপনার সম্পর্কে অবহিত হয়ে লজ্জায় পড়ে গেলাম। তাই এসেছি ক্ষমা প্রার্থনা করে আপনার আর্শিবাদ নিতে। ওদেরকে দোয়া করে বিদায় দিলাম এবং ভাবলাম , ঐ মুরবিবয়ান একজন ভাল লোক হওয়ায় আমার এ যাত্রা রÿা। নতুবা আমি হতাম লাঞ্চিত , অপমানিত। এমন কি সে হয়ত আমাকে শারিরিক লাঞ্চনা করতে ও দ্বিধাবোধ করত না। এভাবে অনেক তরুণ ভুল পথে পরিচালিত হচেছ শুধু মাত্র দিক নির্দেশনার অভাবে। যদি সে উগ্র মেজাজ সম্পন্ন কারো নিকট যেত , আমার কোন শত্রুর পরামর্শ নিত। তবে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনা ছিল শতভাগ।
গ্রামে এখন শহুরে পরিবেশ বিরাজমান। মানুষ এখন একত্রিত হবার ও সুযোগ সুবিধা নেই , উপলক্ষ নেই। আগে গ্রামে গরু শিন্নি অনেকে মানত করতেন বিপদ আপদ থেকে রক্ষার নিমিত্তে। হত মেজবানী বা জিয়াফত , বিয়ে শাদী ইত্যাদি। গরু শিন্নি হলে গ্রামের তরুন সম্প্রদায় দা নিয়ে উপস্থিত হতেন মাংস কেটে তা গ্রামের প্রত্যেক পরিবার ভিত্তিক বণ্টনের মাধ্যমে। মুরবিবয়ানরা উপস্থিত থাকতেন তা সুষ্টু ভাবে বন্টন ও তদারকি করার মানসে। আজ এ জাতীয় শিন্নি আদায় হয়ে যায় মানতকৃত ব্যক্তি কর্তৃক টাকার বিনিময়ে লোক নিয়োগ করে ছোট ছোট ব্যাগে পুরে ঘরে ঘরে পাঠিনোর মাধ্যমে।
পঞ্চায়েত বা মুরবিবয়ান ও যুব সম্প্রদায় একত্রিত হবার সুযোগ বঞ্চিত প্রথা হয়েছে চালু মহাসমারোহে। তাছাড়া এ জাতীয় জমায়েত বা সমাবেশে আলাপ আলোচনা হত সার্বিক দিক নির্দেশনা মুলক কর্মকান্ডের। জেয়াফত হলে দুই তিন দিন পূর্ব থেকে পঞ্চায়েত জমা হতেন সকল প্রকার কাজের আনজাম সমাপনের লক্ষকে সামনে রেখে। কাজ ও হত সুচারু রুপে সম্পন্ন। একে অপরের সহিত ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে হতেন আবদ্ধ। অপরের কাজকে নিজের মনে করে তা সমাধানের প্রচেষ্টা চালাতেন সর্বক্ষণ। আজ তা হয়েছে উধাও শুন্যের মানদন্ডে। আমরা হয়েছি যান্ত্রিকতায় অভ্যস্থ। সব কাজে আবার যান্ত্রিকতা শুভ লক্ষণের নিশ্চয়তা প্রদান করে না।
আমার গ্রামে বেশ ক’বছর পূর্বে দেখতাম পুরো গ্রামের যুব সম্প্রদায় কাজের ফাঁকে ফাঁকে একত্রিত হতেন এবং একে অপরের সহিত সদভাব বিনিময় করতেন। এ প্রসঙ্গে এখানে একটি ঘটনার উলেøখ করতে চাই। ঘটনাটি হলেন একদিন দুপুর বেলা গ্রামের একটি ফাঁকা জায়গায় সকল যুবক একত্রিত হয়েছেন অবসর সময় কাটানো এবং একে অপরের চুল কাটার অভিলাষ হৃদয়ে ধারণ পূর্বক। চুল কাটছেন একজন একজন করে। এমন সময় এক যুবক অপর যুবকের নিকট সিগারেট চায় এবং উপহাস তুল্যে বলে এ মুহুর্তে ঐ যুবক সিগারেট দিবে না বলে জানায়। তখন সিগারেট চাহিত যুবকটি অপর যুবকের হাতে ধরে শক্ত হাতে এবং একদম নুতন ব্লেড খুলে হাতের উপর ধরে বলে সিগারেট না দিলে হাত কেটে ফেলব। যুবকটি না না দেব না বলে হঠাৎ হাত ফসকে নেবার উদ্দেশ্যে ঝটিকা টান দেয়ায় সম্পূর্ণ ব্লেড কনুইয়ের উপরে মাংসল স্থানে ডুকে যায়। শুরু হয় রক্তক্ষরণ। আমরা ছোট থাকায় তাদের নিকটে যেতাম না সম্মান প্রদর্শনার্থে। আমরা দুরে দাড়িয়ে শুধু তাদের কর্মকান্ড প্রত্যক্ষ করতে লাগলাম। রক্তক্ষরণ দেখে সকলেই বিচলিত হয়ে উঠেন।
এখন করনীয় কি তা করতে লাগলেন দ্রউততার সহিত। এখানে বলে রাখা ভাল , এ সময় বিশ্বনাথ বা সিলেট ব্যতীত কোন ডাক্তার পাওয়া বা কল্পনা করা ও ছিল কঠিন। সুতরাং নিরুপায় হয়ে সঙ্গে সঙ্গে পলো দিয়ে রোগিকে নিয়ে জ্জজন রওয়ানা হলেন বিশ্বনাথ অভিমুখে। এদিকে অন্যান্য সকলকে বলে গেলেন রোগির মা বাবা ডাকলে তাঁদের কাজ সমাপ্ত করে দিতে। যেমন কথা তেমন কাজ। অর্থ্যাৎ রোগির মা বাবাকে কোন অবস্থাতেই বুঝতে দেননি লোকটি রোগি বলে। চিকিৎসা করিয়ে রাত্রে নিয়ে আসেন বাড়িতে। রোগিকে নিজ বাড়িতে না দিয়ে অন্যের বাড়িতে রেখে সেবা আনজাম দিতে লাগলেন। স্বজনদের বললেন ও আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছে। এভাবে সম¯Í ঘটনাটি আড়াল করে রাখলেন।
তবে কি পাঠক রোগির মা বাবা টের পাননি বলে আপনাদের ধারণা ? না ওরা টের পেয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু না বুঝার ভান করে রইলেন। আজ এ জাতীয় ঘটনা ঘটলে এ প্রক্রিয়া কোন অবাস্ততেই সম্ভব হবে না। একটা মারামারি , খুনাখুনি হবেই। এ ব্যাপারে জোর দিয়ে বলা যায়। ( চলবে )

লেখক মিজানুর রহমান মিজান সভাপতি বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব বিশ্বনাথ সিলেট। মোবা ০১৭১২৮৭৯৫১৬।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here