আসুন আজ জানি অন্য ধর্মে নারীদের বিবাহ প্রথা

0
134

নারী পর্ব –৪

নীলিমা ইয়াসমিন
ইয়াহুদী আইনেঃ- তাওরাত ইস্তিছনা,
পরিচ্ছের ২৫ নম্বর ৫–১০ এ লেখা আছে যদি দুই ভাই একত্রে বাস করে এবং তাদের একজন অপুত্রক হয়ে মৃত্যুবরণ করে, তবে সেই মৃত ব্যক্তির স্ত্রী বাইরের অন্য গোষ্ঠীভুক্ত না হয়ে তার দেবরকে বিবাহ করতে হবে।পরে তার সেই স্ত্রী যে প্রথম ছেলে সন্তান প্রসব করবে, সে ওই মৃত ভ্রাতার নামে উত্তরাধিকারী হবে।তাতে ইসরাইলী হতে তার নাম লুপ্ত হবে না।আর সেই পুরুষ যদি আপন ভ্রাতৃপুত্রকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করে, তবে সেই ভ্রাতৃপত্নী বিচারকদের কাছে গিয়ে দেবরকে তার পা থেকে জুতা খুলবে এবং তার মুখে থুথু দেবে আর উত্তম ভাবে বলবে,যে ব্যক্তি আপন জাত কুল রক্ষা না করে, তার সাথে এরুপই করা হবে।আর ইসরাইলের মধ্যে তার নাম হবে মুক্ত পাদুকার কুল।
পবিত্র ওই গ্রন্হে লেখা আছে “নারী মৃত্যুর চেয়েও অধিক তিক্ত”
তামাদ্দুনে আরব,

তারতুলিয়ান খৃষ্টান ধর্মের প্রাথমিক যুগের ধর্মগুরু তারা নারী সম্বন্ধীয় খৃষ্টীয় চিন্তাধারা এভাবে ব্যক্ত করেছেনঃ
“নারী শয়তান আগমনের দ্বারস্বরুপ,নারী নিষিদ্ধ বৃক্ষের প্রতি আকর্ষণকারিণী,আল্লাহর আইন ভঙ্গকারিণী এবং আল্লাহর প্রতিমূর্তি পুরুষের ধ্বংস কারীণি”
মাওলানা মওদূদি রচিত পর্দা।
নারী নিয়ে প্রবাদঃ
খৃষ্টীয় প্রবাদঃ–নারী একটি অনিবার্য পাপ,একটি জন্মগত কু-প্রোরচনা,একটি আনন্দদায়ক বিপদ,একটি পারিবারিক আশংকা,একটি ধ্বংসাত্মক প্রেমদায়িনী এবং একটি সজ্জিত দূর্ঘটনা মাত্র।
মাওলানা মওদূদি রচিত পর্দা।

রূশ প্রবাদঃ–দশটি নারীতে একটি মাত্র আত্মা।

ইটালীয় প্রবাদঃ– ঘোড়া কালো হোক কিংবা মন্দ,তার মাহমেষ লোহার কাঁটা,বা অশ্বারোহীর পায়ের গোড়ালিতে লেগে থাকা প্রোয়জন।নারী ভালো হোক কিংবা মন্দ তারে প্রহারের প্রোয়জন।
স্পানিশ প্রবাদঃ–কালো কুৎসিত নারী থেকে দূরে থাকা উচিত, কিন্তু সুন্দরী নারীর উপর ভরসা থাকা উচিত নয়।
বর্বর জাহেলীয়াত কৃষ্ণমেঘের ঘনঘটার মধ্যে ইসলামের বিশ্ব আলোকিত সূর্যদোয় ঘটলে। সকল অনাচার, বাড়াবাড়ি বন্ধ হলো।চির অবহেলা ও নির্যাতনের যাঁতাকলে পিষ্ট নারী জাতিকে ইসলাম পূর্ণ শক্তিতে তার বৃক্ষবটে আশ্রয় দিলো।

কিন্তু আজও তবে কেন নারী নির্যাতিত?
আসুন আমরা তা বিশ্লেষণ করি।
পরবর্তী পর্বে হিন্দু ধর্মে নারীর অবস্থান সম্পর্কে জানবো।
আজ এটুকই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here