জাহেলী যুগে নারী- পর্ব ২

0
174

নীলিমা,সময়ের-কলম:: বড় ভয়ানক ছিলো বর্বর যুগে নারীর অবস্থান। অসহায়ত্ব আর নির্যাতনের সীমা ছিলোনা
কন্যা সন্তান হত্যা করা ছিলো মামুলি ব্যপার।
এই নির্দয়তার প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে কুরআানে ঘোষণা করা হয়েছে#যখন জীবন্ত কবরস্থ কন্যাকে জিঙ্গাসা করা হবে,কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিলো?#
সুরা তাকভীর ৮—৯
সামাজিক অপমান ও গ্লানি ছাড়া পবিত্র কোরআন থেকে এ ও জানা যায় যে,অর্থসংকটের ভ্রান্ত ধারনাও তাদেরকে সন্তান হত্যার মত জঘন্য অপরাধে উদ্ধুদ্ধ করেছিলো।
এ স্বভাবের বিরোধী কার্যকলাপের দরুণ জাহেলী যুগে নারীর সংখ্যা হ্রাস পেতে পেতে
শেষ পর্যন্ত এমন অবস্থায় পৌছে গিয়েছিলো, যে কন্যা হত্যার এই নৃশংস রীতি ভারতবর্ষের কোনো কোনো জাতির মধ্যে একজন নারীর জন্য বিপুল পরিমান অর্থ সম্পদ ব্যায় করতে হইতো।
আর এভাবেই নারীর অস্তিত্ব তাদের মাঝেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
পরবর্তীতে আরবেও স্ত্রী লাভ করার জন্য বিপুল পরিমানে অর্থ সম্পদ ব্যায় করার প্রচলন শুরু হয়।
বর্বর জাহেলীয়াত যুগে কোরআানে এই নির্দেশ প্রোয়োগেরও প্রোয়জন পড়লো
আল্লাহ ঘোষণা করলেনঃ
তোমাদের দাসীগণকে স্বীয় সতিত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন লিপ্সায় তাদেরে ব্যভিচারে বাধ্য করোনা।
সুরা আন নুর– ৩৩

জাহেলীয়াত যুগে নারীকে বন্ধক রাখা হইতো।
হাদিস সুত্রে জানা যায়ঃ
মুহাম্মদ ইবনে মুসলিমা রঃ বলেন আমি যখন
কা’আবের নিকটা গিয়া শয্যা ঋণদানের আবেদন করলাম তখন ক’া ব বললোঃ
#তোমরা তোমাদের স্ত্রীলোকদের আমার নিকট বন্ধক রাখো। তাঁরা বললেন আমরা কিভাবে আপনার নিকট আমাদের স্ত্রী লোকদের বন্ধক রাখতে পারি?অথচ আপনি হলেন আরবের সবচেয়ে সুশ্রী ও সুন্দর ব্যক্তি।
উক্ত ঘটনা থেকে বুঝা যায় জাহেলীয়াত যুগে নারী কতটা নিগৃহীত ছিলো।
আর তাদের ইজ্জত সন্মান নিয়ে কতো নিম্নস্তরের চিন্তা ভাবনা ছিলো তখন।
ওই যুগেও বিবাহ প্রথা অবশ্যই ছিলো।তবে তাও ছিলো শুধু ব্যভিচার।
যার মধ্যে কোন মানসন্মান কিছুই ছিলোনা।

এখন ও আছো নারী তুমি সেই যুগেই
একটুও হয়নি শেষ তোমাকে নিয়ে খেলা
সেই কবে থেকে তুমি খুঁজে চলছো নিজেকেই
আজও হয়নি সেই পথে চলা।

চলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here